Articles by "bd news"
Showing posts with label bd news. Show all posts

 

দেড় কোটি ডলারেরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ১০২ ক্যারেটের দুষ্প্রাপ্য একটি সাদা হীরা। সম্প্রতি নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোদবের নিলাম থেকে হীরাটি কিনে নেন নাম প্রকাশ না হওয়া এক ক্রেতা। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এক রকমের ‘চুক্তি’। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।  

 মহামূল্যবান বিরল এই হীরাটির ক্রেতার নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বৈশ্বিক মহামারির কারণে শুধু হংকংয়ে এই নিলামের আয়োজন করে নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোদবে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, টেলিফোনে ওই হীরাটি কিনে নেন ক্রেতা।    

 দুর্লভ এই হীরা ২৭১ ক্যারেটের একটি হীরকখণ্ড থেকে নেওয়া হয়। যেটি ২০১৮ সালে কানাডার এক খনি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। মজার বিষয় হচ্ছে, নিলাম হওয়া হীরাটি ছাড়া বিশ্বে ১০০ ক্যারেটের ওপর হীরা আছে আর মাত্র ৭টি। যার প্রায় সবগুলোই ইতিমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে।    

হীরাটি নিলামের সময় এর কোনো রিজার্ভ মূল্য (সর্ব নিম্ন মূল্য, যেটি এর বিক্রেতা ঠিক করে দেন) ধরা হয়নি। ইতিহাসে এমন নিলামের ঘটনা এই প্রথম। যেখানে এভাবে একটি হীরা বিক্রি হলো। 

সোদবের বর্ণনায় হীরাটি একেবার ‘নিখুঁত’। তোবিয়াস কোরমাইন্ড নামে অনলাইন জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান ৭৭ ডায়মন্ড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, রিজার্ভ মূল্য না রাখাটা বিক্রেতার একটি সাহসী সিদ্ধান্ত। 

২০১৭ সালে সুইজারল্যান্ডের ল্যান্ডের জেনেভায় ক্রিস্টি’সের এক নিলাম অনুষ্ঠানে ১৬৩ ক্যারেটের একটি হীরা আনা হয়েছিল। হীরাটি ৪০৪ ক্যারেটের একটি হীরকখণ্ড থেকে নেওয়া। যেটি অ্যাঙ্গোলা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। বলা হয়, যে কোনো নিলামে আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হীরা ছিল এটি। ওই হীরাটির ক্রেতার পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি। একই বছর ১৯ ক্যারেটের কাছাকাছি গোলাপি রঙের একটি বিরল হীরা নিলামে বিক্রি হয়। ক্যারেট প্রতি দাম বিবেচনায় যেটি এখন পর্যন্ত রেকর্ড। হীরাটির প্রতি ক্যারেটের দাম পড়ে প্রায় ২৬ লাখ ডলার। যেটি কোনো গোলাপি হীরার সর্বোচ্চ মূল্য বলে দাবি করছে ইউরোপের অন্যতম প্রধান নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টি’স।

 


জলবায়ু পরিবর্তন ও কোভিড-১৯ মহামারির কারণে উদ্ভূত সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলার জন্য ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যের নেতৃস্থানীয় দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় লেখা এক নিবন্ধে এ আহ্বান জানান। নিবন্ধটি মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়।

নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও কোভিড-১৯ বর্তমানে বৈশ্বিক হুমকি। এই উভয় ঝুঁকি প্রশমনে আমাদের আরও অনেক কিছু করতে হবে। আর তা করতে হবে ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গত মাসে আমার দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশি এতে বাস্তুচ্যুত হয়। লাখ লাখ হেক্টর জমির ধান বন্যার পানিতে ভেসে যায়।

ফলে লাখ লাখ মানুষের জন্য এ বছর খাদ্যসহায়তার প্রয়োজন হবে।’

শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘দুর্যোগ কখনো এককভাবে আঘাত হানে না। গত মে মাসে বন্যার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। এর পাশাপাশি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে ইতিমধ্যে ২ দশমিক ৪ মিলিয়ন মানুষকে সরিয়ে নিতে হয়েছে।

তবে কোভিড-১৯–এ মৃত্যু ও আক্রান্তের হার এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোভিডের কারণে অর্থনৈতিক লকডাউন আমাদের বস্ত্রশিল্প ও রপ্তানিকে আঘাত করেছে। 

বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বর্তমানে বেকার।’


নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও লাখ লাখ মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য পরিচর্যা পদ্ধতি ও অর্থনীতিকে নিরাপদ করার চেষ্টা করছে। বৈশ্বিক মোট নিঃসরণের ৮০ শতাংশের জন্য জি-২০ দেশগুলো দায়ী। প্রত্যেকের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছাড়া বিশ্ব সফলভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামাল দিতে পারবে না। বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি এখনো আমাদের জন্য সেরা সুযোগ। এ পর্যন্ত ১৮৯টি দেশ এই চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।

 

অস্ট্রেলিয়ার দ্বীপ রাজ্য তাসমানিয়ার উপকূলে অন্তত ৯০টি তিমির মৃত্যু হয়েছে।  উদ্ধারকারীরা বলছে, উপকূলে ২৭০টির মতো তিমি এসেছে—যার এক-তৃতীয়াংশেরই প্রাণহানি ঘটল। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।


বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ধারকারীরা আজ মঙ্গলবার উপকূল থেকে ২৫টি তিমি সাগরে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। আরও কিছু পাঠাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার দ্বীপের পশ্চিম উপকূলের বালুচর ও অগভীর পানিতে প্রথম এই তিমিগুলো চোখে পড়ে। এগুলোকে পাইলট তিমি বলা হয়। পাইলট তিমি হলো ডলফিনের গোত্রভুক্ত। এ প্রজাতির তিমি ৭ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে, ওজন হয় তিন টন পর্যন্ত।



কার্লিয়ন বলেন,  পাইলট তিমি সৈকতে তিন থেকে চার দিন বাঁচতে পারে, এ সময় এদের অনেকগুলোই স্থিতিশীল থাকে। আটকে পড়া তিমি গভীর জলে ফেরত পাঠাতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।


তাসমানিয়ান মেরিটাইম কনজারভেশন প্রোগ্রামের ৪০ জন প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মী সোমবার সন্ধ্যা থেকে এই তিমি উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। তবে উদ্ধারকর্মীদের এই অভিযান মোটেও সহজ নয়। তাঁরা জানিয়েছেন, দ্বীপের ম্যাককুয়েরি হেডস এলাকাজুড়ে তিনটি দলে তিমিগুলোকে পাওয়া গেছে। প্রত্যন্ত এই অঞ্চলে যাওয়ার তেমন কোনো রাস্তা নেই, জলযানও সীমিত আকারে চলাচল করে। প্রায় ২০০টি তিমি একটি নৌঘাটের কাছে বালুচরে পাওয়া যায়। এর কয়েক শ মিটার দূরে পাওয়া যায় আরও ৩০টি। আরও ৩০টি তিমি পাওয়া যায় কাছাকাছি আরেকটি জায়গায়।